আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড় সেরা অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য। lx 470 সেই বিশ্বাস থেকেই তৈরি — নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং মজাদার।
বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট ভালোবাসে — এটা সবাই জানে। কিন্তু ২০১৮ সালে যখন আমরা lx 470 তৈরির পরিকল্পনা করি, তখন দেখলাম এখানকার খেলোয়াড়রা যেসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন, সেগুলো মূলত বিদেশি বাজার মাথায় রেখে বানানো। বাংলা ভাষা নেই, বাংলাদেশি পেমেন্ট সিস্টেম নেই, স্থানীয় খেলাগুলোর পর্যাপ্ত মার্কেট নেই।
সেই অভাব পূরণ করতেই lx 470-এর যাত্রা শুরু। আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের মতো করে একটা বেটিং প্ল্যাটফর্ম বানানো। যেখানে বিকাশে টাকা দেওয়া যাবে, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যাব ে, এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মতো স্থানীয় টুর্নামেন্টেও বেট দেওয়া যাবে।
আজ lx 470 বাংলাদেশের ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত খেলোয়াড়ের বিশ্বাসের প্ল্যাটফর্ম। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী — দেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ প্রতিদিন lx 470-এ লগইন করছেন। এটা শুধু একটা সংখ্যা না — এটা আমাদের প্রতি মানুষের আস্থার প্রমাণ।
"আমরা চাই প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড় যখন lx 470 ব্যবহার করবেন, তখন মনে হবে এটা তাদের নিজের প্ল্যাটফর্ম। ভাষায়, পেমেন্টে, সাপোর্টে — সব কিছুতেই যেন ঘরের মতো স্বস্তি থাকে।"
— lx 470 প্রতিষ্ঠাতা দলের বক্তব্যদক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও স্থানীয়-বান্ধব বেটিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।
প্রতিটি খেলোয়াড়কে নিরাপদ, মজাদার ও ন্যায্য বেটিং পরিবেশ দেওয়া।
শুধু কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করাটাই আমাদের পরিচয়
lx 470-এর পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। নেভিগেশন থেকে কাস্টমার সাপোর্ট, সবকিছু মাতৃভাষায় পাওয়া যায়। বিদেশি সাইটে ইংরেজির ঝামেলা নেই।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তাই lx 470-এর প্রতিটি ফিচার মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে মিনিটের মধ্যে ডিপোজিট করুন। কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ক্রেডিট কার্ড লাগে না। উইথড্রয়ালও হয় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
lx 470-এ সর্বাধুনিক SSL এনক্রিপশন ও দ্বি-স্তরীয় ভেরিফিকেশন ব্যবহার করা হয়। আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সবসময় সুরক্ষিত।
ম্যাচ চলাকালীন প্রতি বলে অডস আপডেট হয়। লাইভ স্কোর ও পরিসংখ্যান একই পেজে দেখে সঠিক মুহূর্তে বেট দিন।
যেকোনো সমস্যায় লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দিনরাত সক্রিয়, গড় রেসপন্স টাইম মাত্র ৩ মিনিট।
lx 470-এর যাত্রা শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রতিটি মাইলফলক ছিল বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের আস্থা অর্জনের গল্প। আমরা ধীরে ধীরে বড় হয়েছি, কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপে মানের সাথে কোনো আপোষ করিনি।
শুরুতে মাত্র ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। ব্যবহারকারীদের চাহিদার সাথে সাথে যোগ হয়েছে কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, ই-স্পোর্টস। আজ lx 470-এ ৩০-এরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে বেট দেওয়া যায়।
একদল বাংলাদেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা মিলে lx 470-এর ভিত্তি স্থাপন করেন। লক্ষ্য ছিল স্থানীয় খেলোয়াড়দের জন্য সত্যিকারের বাংলাদেশি বেটিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা।
বাংলাদেশের দুটি প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন চালু হয়। এটাই lx 470-কে সত্যিকারের বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্মে পরিণত করে।
ম্যাচ চলাকালীন রিয়েল-টাইম বেটিং ফিচার চালু হয়। একই বছর মোবাইল অ্যাপও রিলিজ করা হয়, যা দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়।
lx 470-এর সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। ই-স্পোর্টস বিভাগ চালু করা হয়, যা তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। নতুন পুরস্কার কার্যক্রম ও ভিআইপি ক্লাব চালু হয়। ৩০টিরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি উপলব্ধ।
একটা ব্যবসা দীর্ঘস্থায়ী হয় তখনই, যখন তার পেছনে শুধু মুনাফার চিন্তা না থেকে কিছু দৃঢ় মূল্যবোধ থাকে। lx 470-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে এই কোর ভ্যালুগুলো।
অডস কীভাবে ঠিক হয়, কমিশন কত, নিয়ম কী — সব কিছু পরিষ্কারভাবে জানানো হয়। কোনো লুকানো চার্জ বা অস্পষ্ট শর্ত নেই।
প্রতিটি ফিচার তৈরির সময় প্রশ্ন করা হয় — এটা কি খেলোয়াড়ের জন্য ভালো? ব্যবসায়িক লাভের চেয়ে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা সবসময় অগ্রাধিকার পায়।
lx 470 বিশ্বাস করে বেটিং বিনোদন, বোঝা নয়। তাই ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুলস সবার জন্য উন্মুক্ত।
ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাকের ভিত্তিতে প্রতি মাসে নতুন ফিচার ও উন্নতি আসে। আমরা থেমে থাকি না।
৫০+ ইঞ্জিনিয়ার প্রতিদিন প্ল্যাটফর্ম স্থিতিশীল ও দ্রুত রাখার কাজ করছেন।
বাংলায় কথা বলা ৩০+ সাপোর্ট এজেন্ট ২৪/৭ আপনার সেবায় প্রস্তুত।
অভিজ্ঞ ট্রেডাররা রিয়েল-টাইমে সব ম্যাচের ন্যায্য অডস নিশ্চিত করেন।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা প্রতিনিয়ত প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করেন।
আমরা জানি বেটিং কিছু মানুষের জন্য আসক্তির কারণ হতে পারে। তাই lx 470 শুরু থেকেই দায়িত্বশীল গেমিংকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। আমাদের লক্ষ্য হলো বেটিং একটা আনন্দদায়ক বিনোদন হিসেবে থাকুক — কখনো সমস্যার কারণ না হোক।
lx 470-এ প্রতিটি অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে। আপনি নিজেই ঠিক করে দিতে পারবেন সপ্তাহে বা মাসে সর্বোচ্চ কত টাকা ডিপোজিট করতে পারবেন। সেই সীমা পার হলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিপোজিট বন্ধ করে দেবে।
যদি মনে হয় বিরতি দরকার, তাহলে কুলিং-অফ পিরিয়ড নিন — ২৪ ঘণ্টা থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত। আরও গুরুতর পরিস্থিতিতে সেলফ-এক্সক্লুশনের মাধ্যমে নিজেই অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করে রাখতে পারবেন। আমরা সবসময় আপনার পাশে আছি।
দায়িত্বশীল গেমিং পেজ দেখুন